দেখবো এবার জগৎটাকে (Dekhbo ebar jogot-ta-ke: A Bengali Blog): dejogot

Dekhbo Ebar Jogot-ta-ke is a bengali blog about some unknown interesting facts

WE ARE RECRUITING CONTENT WRITER. CONTACT: 7003927787
Showing posts with label dejogot. Show all posts
Showing posts with label dejogot. Show all posts

Sunday, June 24, 2018

পৃথিবীর একমাত্র ভাসমান পোস্ট অফিসটি কোথায় অবস্থিত জানেন? জানলে অবাক হবেন।

June 24, 2018 0
পৃথিবীর একমাত্র ভাসমান পোস্ট অফিসটি কোথায় অবস্থিত জানেন? জানলে অবাক হবেন।
বিশ্বের বৃহত্তম ডাক নেটওয়ার্ক-এর কৃতিত্ব যে ভারতের হস্তগত, সেই কথা কমবেশি আমাদের সকলেরই জানা। ১৭৭৪ সালে ডাক পরিষেবার গড়াপত্তনের দিন থেকে আজ পর্যন্ত ভারতে প্রায় ১,৫৫,০১৫ টি পোস্ট অফিস গড়ে উঠেছে। এক একটি পোস্ট অফিস গড়ে প্রায় ৭১৭৫ জন মানুষকে ডাক সেবা প্রদান করে থাকে।

  আগেকার দিনের মত চিঠি লেখালিখির প্রচলন না থাকলেও, অন্যান্য নানা পরিষেবার জন্য আজও ভারতীয় ডাক ব্যবস্থার গুরুত্ব অক্ষুন্ন রয়ে গেছে। বহু প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে আজও ব্যাঙ্কিং পরিষেবার একমাত্র বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হল ভারতীয় ডাক বিভাগ। ছোট বড় অনেক রকম পোস্ট অফিস আমরা দেখেছি, কিন্তু বিশ্বের একমাত্র ভাসমান পোস্ট অফিস যে আমাদের ভারতবর্ষে অবস্থিত তা কি আপনারা জানতেন?

[ আরও পড়ুন ঃ কিভাবে মেদিনীপুরকে পিছনে ফেলে রেলশহর হিসাবে গড়ে উঠলো খড়্গপুর। খড়্গপুরকে নিয়ে কিছু জানা অজানা তথ্য। ]

[ আরও পড়ুন ঃ জানেন কি রসগোল্লার কলম্বাস কাকে বলা হয় ? ]

ভারত তথা পৃথিবীর একমাত্র ভাসমান পোস্ট অফিসটি অবস্থিত ভারতের ভূস্বর্গ কাশ্মীরের ডাল লেকে। নৈঃস্বর্গিক সৌন্দর্যের কারনে কাশ্মীর ভ্রমনপ্রিয় মানুষদের কাছে একটি লোভনীয় গন্তব্যস্থল। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত ডাল লেকের ওপর ভাসমান পোস্ট অফিসটি  এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা এবং আগত পর্যটকদের ডাক সেবা প্রদান করার সাথে সাথে দর্শনীয় স্থান ও হয়ে উঠেছে। বোটের ওপর বানানো দুই কামরার এই পোস্ট অফিসে ফিলাটেলি মিউজিয়ামও আছে, যেখানে বহু পুরানো ও আকর্ষণীয় পোস্টাল স্ট্যাম্প আছে। এই পোস্ট অফিস এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল যে এখানকার সমস্ত পোস্টকার্ডে ডাল লেক ও শ্রীনগরের অন্যান্য দর্শনীয় স্থানের সুন্দর সুন্দর ছবি দেওয়া থাকে। অন্যান্য সাধারন ডাক সেবা প্রদান করার পাশাপাশি এই পোস্ট অফিস টেলিফোন এবং ইমেইল করার সুবিধাও প্রদান করে থাকে। 




  এটি আসলে একটি হেরিটেজ পোস্ট অফিস যেটি ব্রিটিশ আমল থেকেই ছিল। আগে এটি নেহেরু পার্ক পোস্ট অফিস নামে পরিচিত ছিল। পরে এর সংস্কার করে ২০১১ সালে তৎকালীন জম্মু কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা নতুন পোস্ট অফিস এর সূচনা করেন এবং তখন থেকে এটি "FLOATING POST OFFICE" নামে পরিচিত। 




এই প্রতিবেদনটি আপনাদের কেমন লাগলো নিচে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করুন।

[ আরও পড়ুনঃ বিধান চন্দ্র রায় মাত্র এক টাকায় কিনেছিলেন আজকের সল্টলেক। সল্টলেক সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য। ]

[ আরও পড়ুন ঃ জানা অজানা রবীন্দ্রনাথ। ]

[ আরও পড়ুন ঃ'দাদা সাহেব ফালকে' পুরস্কার পেয়েও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সুচিত্রা সেন। কেন জানেন? ]


[আরও পড়ুন ঃ ট্রেন-এ শৌচালয় অন্তর্ভুক্তির পিছনে অবদান কার জানেন? ]

Tuesday, March 27, 2018

একটু দেরী, পন্ডিচেরী।

March 27, 2018 2
একটু দেরী, পন্ডিচেরী।
সরকারি ভাবে ভারতের স্বাধীনতা দিবস ১৫ই আগস্ট পালন করা হলেও ভারতের একটি রাজ্য স্বাধীনতা দিবস পালন করে একদিন পরে অর্থাৎ ১৬ই আগস্ট। এমনকি এই রাজ্যের 'Official Language' বা 'দাপ্তরিক ভাষা' ফরাসী। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আমরা কথা বলছি পন্ডিচেরীর

ভারতের কেন্দ্রশাসিত রাজ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম পন্ডিচেরী(Pondicherry) তার কলোনিয়াল স্থাপত্যের কারনে ভ্রমনপিপাষু মানুষের কাছে অতিপরিচিত একটি নাম। এই পন্ডিচেরী সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব যেগুলো শুনলে আপনি হয়ত অবাক হয়ে যাবেন।




২০০৬ সাল থেকে পন্ডিচেরী তামিল ভাষায় পুদুচেরী নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। অধুনা এই পুদুচেরীতেই ১৬৭৪ সালে ফ্রেঞ্চ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এখানে তাদের হেড কোয়ার্টার তৈরি করে। ১৬ই জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে ফরাসী দের কাছ থেকে পুদুচেরী ব্রিটিশরা দখল করে নেয়।

[ আরও পড়ুন ঃ আন্দামানের ইতিকথা ]
[ আরও পড়ুন ঃ প্রত্যাখ্যাত শাহেনশাহ্]
[ আরও পড়ুন ঃ'লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন'- কে এই গৌরী সেন?]

১৭৪২ থেকে ১৭৬৩ সাল পর্যন্ত চলতে থাকা অ্যাংলো ফরাসী যুদ্ধের ফলস্বরূপ উভয়ের মধ্যে বারংবার পুদুচেরীর শাসনভার হাতবদল হতে থাকে। ১৮৫০ সালে ইংরেজরা সমস্ত ভারতের ওপর অধিকার কায়েম করার পর পুদুচেরী, চন্দননগরের মত কিছু জায়গা ফরাসীদের হাতে ছেড়ে দেয়। ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত পুদুচেরী ফ্রেঞ্চ ইস্ট ইন্ডিয়ার অন্তর্গত ছিল।
১৯৫৪ সালের ১৮ই অক্টোবর ফরাসীদের শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের বিষয়ে পন্ডিচেরী মিউনিসিপ্যাল এবং পঞ্চায়েত-এর ১৭৮ জন সদস্যদের নিয়ে একটি ভোট হয় যেখানে ১৭০ জন এর স্বপক্ষে ভোট দেন।
ভোটের ফলাফল অনুযায়ী ওই বছর ১লা নভেম্বর পন্ডিচেরীর শাসনভার ভারত সরকারের হস্তগত হলেও এর প্রয়োজনীয় দলিল দস্তাবেজ সই হয়েছিল ১৬ই আগস্ট ১৯৬২ সালে।

তাই ভারতের বাকি রাজ্যে ১৫ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালন হলেও পন্ডিচেরীতে আজও স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয় ১৬ই আগস্ট এবং আজও এখানকার দাপ্তরিক ভাষা ফরাসী রয়ে গেছে। এমনকি পন্ডিচেরীর OFFICIAL GAZETTE এখনও ফরাসী ভাষাতেই প্রকাশিত হয়।


প্রতিবেদনটি আপনাদের কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না। কোন অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে আমাদের কমেন্ট করে জানান। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

[ আরও পড়ুন ঃ ট্রেন-এ শৌচালয় অন্তর্ভুক্তির পিছনে অবদান কার জানেন?]
[ আরও পড়ুন ঃ ভারতের সর্বপ্রথম এবং বর্তমানে প্রবীনতম ভোটার কে জানেন? ]

Sunday, March 25, 2018

প্রত্যাখ্যাত শাহেনশাহ্

March 25, 2018 0
প্রত্যাখ্যাত শাহেনশাহ্
ভারতীয় সিনেমার উল্লেখযোগ্য এবং অন্যতম প্রতিভাবান অভিনেতা বলতে যাদের কথা সর্বা্গ্রে মাথায় আসে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আমাদের সকলের প্রিয় অমিতাভ বচ্চন। প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয় জীবনে ১৯০ এর বেশি সিনেমায় কাজ করে ফেললেও শুরুটা কিন্তু মোটেও মসৃণ ছিল না।
অমিতাভের অভিনয় জীবনের চড়াই উতরাই সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। কিন্তু যেটা জানি না সেটা হল যে অমিতাভের 'অভিষেক' ঘটে ১৯৬৯ সালে মৃণাল সেন এর জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত সিনেমা "ভুবন সোম" -এ  Voice Narrator বা কথক হিসেবে।
সত্যজিৎ রায় এর অমিতাভ এর গলার আওয়াজে এত মুগ্ধ হয়েছিলেন যে তাঁর "শতরঞ্জ কে খিলাড়ি" সিনেমায় অমিতাভকে কথক হিসেবে ব্যাবহার করেন।

[ আরও পড়ুন ঃ'লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন'- কে এই গৌরী সেন?]
[ আরও পড়ুন ঃ আন্দামানের ইতিকথা ]


এরপর একে একে 'পরিণীতা', 'যোধা আকবর', 'কাহানি', 'দ্য গাজী অ্যাটাক' ইত্যাদি সিনেমায় কথক হিসেবে তাঁর কাজ বিশেষ প্রসংসা লাভ করে।
 এমনকি বেশ কয়েকটি সিনেমা তে তিনি গানও গেয়েছেন। গায়ক হিসাবে তাঁর প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৭৯ সালে 'মিস্টার নটবরলাল' সিনেমাতে। এছাড়াও তাঁর কবিতাপাঠ এখনও বহু মানুষ টিকিট কেটে মুগ্ধ হয়ে শোনেন।
এহেন বহু সমাদৃত কণ্ঠের অধিকারীকেও ALL INDIA RADIO এর তরফে প্রথমে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। আজ্ঞে হ্যাঁ, অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

আসুন অমিতাভের নিজের মুখ থেকে শুনে নিই এই ব্যাপারেঃ


এই প্রতিবেদনটি আপনাদের কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।